A-A+

Bollinger bands ইন্ডিকেটর সম্পর্কে

নভেম্বর 5, 2017 ফরেক্স ব্রোকার লেখক 35078 দর্শকরা

বেশ কয়েকদিন আগে ৩৮তম প্রিলিমারী পরিক্ষা হয়েছে। Bollinger bands ইন্ডিকেটর সম্পর্কে প্রিলিতে কোয়ালিফাইং নাম্বার নিয়ে অনেকেই চিন্তিত। কোয়ালিফাইং নাম্বার নিয়ে একবাক্যে বললে, যারা ১০০ পাবেন তাদের উচিত হবে রিটেনের জন্য প্রিপারেশন নেয়া। বাকিটা ভাগ্য। সবচেয়ে সহজ অঙ্গনে, ফাইবার অপটিক যোগাযোগ লাইন তিনটি উপাদান গঠিত।

ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রেটিজি

মনু এটা কোথায় লুকিয়ে রাখবে ভাবছিল, শফিক তাড়া দিল, ” তাড়াতাড়ি কর”।

গ) যেটি পূর্বে সংগঠিত হয়েছিল সেটি দীর্ঘ সময় ধরে চলিতেছিল। সাধারণভাবে, পরিবর্তে যে বাস্তব মানুষের জীবন থেকে ছিন্ন হয় কম্পিউটার গেম খেলে পুরো সন্ধ্যায় কাটানোর, এটা আরো ভালোভাবে কাজ এবং কিছু Bollinger bands ইন্ডিকেটর সম্পর্কে পকেট অর্থ উপার্জন করতে একটু মনোযোগ দিতে হয়। প্রাথমিকভাবে যাক বেশ ছোট, কিন্তু সত্যি বলতে অর্জন এবং শুধুমাত্র তাদের শ্রম।

একটি ব্যক্তিগত বাড়ির কেন্দ্রীয় প্রবেশপথের অঞ্চলটি উচ্চতর অগ্রাধিকারের - এখানে আপনি বিভিন্ন ধরনের ফুলের ভলিউমেট্রিক রচনাগুলি পরিচালনা করতে পারেন, আপনি একটি গোলাপ বাগান, শিলা বাগান, গোলাপ বাগান এবং অন্যান্য নকশা উপাদানের ব্যবস্থা করতে পারেন।

একটি বিস্ময়কর মাস্ক চুল shafts গঠন পুনরুদ্ধার যে অবিলম্বে কার্ল একটি Bollinger bands ইন্ডিকেটর সম্পর্কে সুস্থ চেহারা ফিরে। রকিবুর রহমান বলেন, বাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে পর পর বোনাস ডিভিডেন্ড দিয়ে সময় মতো স্পন্সররা শেয়ার বিক্রি করে বেরিয়ে যায়। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সুতরাং যারা বোনাস ডিভিডেন্ড দিচ্ছে সেসব কোম্পানিতে বিনিয়োগ থেকে বিনিয়োগকারীদের সাবধান থাকতে হবে।

অর্থাৎঃ কোচ উডেনের তত্ত্ববধানে আমাদের এত সফলতার কারণ ছিল তিনি আমাদের শক্তি বৃদ্ধিতে সর্বাধিক জোর দিতেন। বিপক্ষ দল ক্লান্ত হয়ে গেলে উনি খুশি হতেন কারণ তখনো আমরা আমাদের সেরাটা দেওয়ার মত অবস্থানে থাকতাম। বিপক্ষ টিমের ক্লান্তিই হত আমাদের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। পরে উপলব্ধি করতে পারলাম যে, এ শিক্ষা শুধু খেলার ক্ষেত্রেই নয় বরং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই সমভাবে কার্যকরী। কেনাকাটা করার জন্য আপনাকে চ্যানেলের ভিতরে বুলিশ মোমবাতি বন্ধের জন্য অপেক্ষা করতে হবে, এবং মোমবাতি খোলার শরীর চ্যানেলের নিম্ন সীমানা হওয়া উচিত।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে কোহিমা এলায়েড সিমেট্রিতে নাম না জানা সৈনিকদের এপিটাফে লেখা দুটি বিখ্যাত লাইন এখানে খুব প্রাসংগিকঃ এই কোর্সে Camtasia Studio এবং VideoScribe সফটওয়্যারগুলোর কাজ শিখানো হবে।

উপরের প্রশ্নটি নিজের মনকে করুন। ওকে, আমি একটি সহজ উত্তর দিচ্ছি। সেল ভলিয়মের থেকে বাই এর ভলিয়ম বেশী থাকায় ১৫০ পিপস আপ হয়েছে। আরও সহজ উত্তর হল ইউএসডির থেকে ইউরো বেশী ডিমান্ড এ ছিল। মার্কেটের প্রতিটি পিপস মুভমেন্ট এর জন্য নিদিষ্ট সময়ে নিদির্ষ্ট পরিমান ভলিয়মের ট্রেড এর প্রয়োজন হয়। আর যখন তা অনেক সময় ধরে ট্রেড হয় তখন মার্কেট একটি টেক্সিক্যাপ এর মত বিভিন্ন রাস্তা দিয়ে চলাচল করে। তবে প্রধম থেকে মার্কেটের প্রাইজ যা ছিল তা কিন্তু আর ফিরে আসে না। যখন মার্কেটে নিদির্ষ্ট সময়ে নিদিষ্ট ভলিয়মের কোন ট্রেড হয় না তখন মার্কেট চুপটি মেরে থাকে।

আর এখন উপরের বক্তব্যের সারসংক্ষেপ করা যাক। লিভারেজের মূল সুবিধা হল যে Bollinger bands ইন্ডিকেটর সম্পর্কে এটি ট্রেডারকে বাজারে চাতুর্যপূর্ণ কৌশল নির্ধারণ করার স্বাধীনতা দেয়। যেখানেঃ যেমন, ১ হতে ৫ পর্যন্ত যোগ করতে হলে, প্রথমে ডান হাতে কিছুই নাই, মানে ০। প্রথম সংখ্যাটি ১। সেটাকে শূন্যের সাথে যোগ করে পেলাম ১।

অবশিষ্ট প্যাকেজ পরের মাসে Bollinger bands ইন্ডিকেটর সম্পর্কে স্থানান্তর করা হয়, কিন্তু শুধুমাত্র একবার। ‘‘আপনি এক জন রাইটার। আমাদের জ্যাম সেশনে আপনি কত গল্প বলতে পারবেন!’’

আমার মনে হয় আশরাফুল কে এক টা সুজোগ দেয়া দরকার পুঁজিবাজারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হলো সূচক। ডিএসইতে বর্তমানে তিন ধরনের সূচক চালু রয়েছে। যার সবগুলোই ২০১৬-১৭ অর্থবছরে উল্লেখযোগ্য হারে উন্নীত হয়েছে। ডিএসই ব্রড ইনডেক্স বা বেঞ্চমার্ক সূচক আগের বছরের চেয়ে ১ হাজার ১৪৮ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৫ হাজার ৬৫৬ পয়েন্টে উন্নীত হয়। ডিএসই ৩০ সূচক ৩১৩ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ২ হাজার ৮৩ পয়েন্টে উন্নীত হয়। ডিএসই শরীয়াহ সূচক ১৮৬ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ২৯৭ পয়েন্টে উন্নীত হয়। বাজার মূলধনও আগের বছরের তুলনায় ৬১ হাজার ৫২৫ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।